মৃত স্ত্রীর সম্পত্তিতে স্বামীর উত্তরাধিকার হচ্ছে দুই শর্তে।
প্রথমত, যদি উক্ত স্ত্রীর কোন সন্তান থাকে তাহলে স্বামী পাবে ১/৪ অংশ বা ২৫%। দ্বিতীয়ত, যদি উক্ত স্ত্রীর কোন সন্তান না থাকে তাহলে স্বামী পাবে ১/২ অংশ বা ৫০%। এখানে, স্ত্রীর রেখে যাওয়া যেকোনো সম্পত্তি বুঝাবে। স্থাবর, অস্থাবর সকল সম্পত্তি। আবার, স্ত্রীর সন্তান বলতে স্ত্রীর নিজের গর্ভের সন্তানকে বুঝাবে। স্ত্রীর সাথে তার এই স্বামীর সন্তান না হয়ে যদি পূর্বের কোন স্বামীর সাথেও সন্তান থাকে তাহলেও বর্তমান স্বামী পাবে ১/৪ অংশ বা ২৫%। অন্যদিকে যদি স্ত্রীর কোন সন্তান না থাকে, কিন্তু স্বামীর অন্য সংসারের সন্তান থেকে থাকে, তাহলেও স্বামী পাবে ১/২ অংশ বা ৫০%। বিস্তারিত জানতে এবং বুঝতে ভিডিওটি দেখুন। ➨ আইন সম্পর্কিত আর্টিকেল পড়তে ভিজিট করুনঃ https://article.legalfist.com ➨জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপেঃ https://www.facebook.com/groups/legalfist ➨ ই-মেইলঃ tanbir@legalfist.comহিন্দু উত্তরাধিকার আইন | Hindu Inheritance Law
উত্তরাধিকার আইন সকল ধর্মের জন্য তাদের নিজ নিজ ধর্ম অনুসারে পালন করা হয়। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য মুসলিম আইন অনুসারে আর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য হিন্দু আইন অনুসারে। হিন্দু আইনের উত্তরাধিকার আবার দুই ভাগে বিভক্ত, মিতাক্ষরা আর দায়ভাগ। আমাদের বাংলাদেশে দায়ভাগ অনুসরণ করা হয়। দায়ভাগ অনুসারে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিম্নে বর্ণিত ৫৩ জনের যে ক্রম দেওয়া হয়েছে, সেই ক্রম অনুসারেই বণ্টন করা হয়। তবে, নারীরা শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব হিসেবে সম্পত্তি ভোগদখল করতে পারে, পুরোপুরি মালিকানা অর্জন করতে পারে না, যার ফলে তারা উক্ত সম্পত্তি বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারে না। নিম্নে ৫৩ জনের ক্রম দেওয়া হলঃ
১। ছেলে ২। ছেলের ছেলে ৩। ছেলের ছেলের ছেলে ৪। স্ত্রী, ছেলের স্ত্রী, ছেলের ছেলের স্ত্রী, ছেলের ছেলের ছেলের স্ত্রী ৫। মেয়ে ৬। মেয়ের ছেলে ৭। বাবা ৮। মা ৯। ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই ১০। ভাইয়ের ছেলে, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলে ১১। ভাইয়ের ছেলের ছেলে, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলের ছেলে ১২। বোনের ছেলে ১৩। বাবার বাবা ১৪। বাবার মা ১৫। বাবার ভাই ১৬। বাবার ভাইয়ের ছেলে ১৭। বাবার ভাইয়ের ছেলের ছেলে ১৮। বাবার বোনের ছেলে ১৯। বাবার বাবার বাবা ২০। বাবার বাবার মা ২১। বাবার বাবার ভাই ২২। বাবার বাবার ভাইয়ের ছেলে ২৩। বাবার বাবার ভাইয়ের ছেলের ছেলে ২৪। বাবার পিসির ছেলে ২৫। ছেলের মেয়ের ছেলে ২৬। ছেলের ছেলের মেয়ের ছেলে ২৭। ভাইয়ের মেয়ের ছেলে ২৮। ভাইয়ের ছেলের মেয়ের ছেলে ২৯। চাচার মেয়ের ছেলে ৩০। চাচার ছেলের মেয়ের ছেলে ৩১। বাবার চাচার মেয়ের ছেলে ৩২। বাবার চাচার ছেলের মেয়ের ছেলে ৩৩। মায়ের বাবা (নানা) ৩৪। মায়ের ভাই (মামা) ৩৫। মায়ের ভাইয়ের ছেলে (মামায়ের ছেলে) ৩৬। মায়ের ভাইয়ের ছেলের ছেলে (মামায়ের ছেলের ছেলে) ৩৭। মায়ের বোনের ছেলে (মাসির ছেলে) ৩৮। মায়ের বাবার বাবা ৩৯। মায়ের বাবার ভাই ৪০। মায়ের বাবার ভাইয়ের ছেলে ৪১। মায়ের বাবার ভাইয়ের ছেলের ছেলে ৪২। মায়ের বাবার বোনের ছেলের ছেলে ৪৩। মায়ের বাবার বাবার বাবা ৪৪। মায়ের বাবার বাবার ভাই ৪৫। মায়ের বাবার বাবার ভাইয়ের ছেলে ৪৬। মায়ের বাবার বাবার ভাইয়ের ছেলের ছেলে ৪৭। মায়ের বাবার বাবার বোনের ছেলে ৪৮। মায়ের ভাইয়ের মেয়ের ছেলে ৪৯। মায়ের ভাইয়ের ছেলের মেয়ের ছেলে ৫০। মায়ের বাবার ভাইয়ের মেয়ের ছেলে ৫১। মায়ের বাবার ভাইয়ের ছেলের মেয়ের ছেলে ৫২। মায়ের বাবার বাবার ভাইয়ের মেয়ের ছেলে ৫৩। মায়ের বাবার বাবার ভাইয়ের ছেলের মেয়ের ছেলে ➨ আইন সম্পর্কিত আর্টিকেল পড়তে ভিজিট করুনঃ https://article.legalfist.com ➨জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপেঃ https://www.facebook.com/groups/legalfist ➨ প্রয়োজনে ই-মেইল করুনঃ tanbir@legalfist.comবাবা একাধিক বিয়ে করলে সন্তানদের মাঝে সম্পত্তি বন্টন প্রক্রিয়া
বাবা একাধিক বিয়ে করলে অর্থাৎ আপনার মাকে বিবাহ করার পূর্বে যদি আপনার বাবা অন্য কোথাও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থেকে থাকেন অথবা আপনার মাকে বিবাহ করার পরে অন্য কোথাও পুনরায় বিবাহ করেন বা আরো সহজ ভাষায় আপনার মা ব্যতীত অন্য কোন সংসারে ওনার ওরসজাত সন্তান থেকে থাকে, সে ক্ষেত্রে ওই সন্তানগুলো হবে আপনার বৈমাত্রেয় ভাই বোন৷ এই বৈমাত্রীয় ভাই বোনরা আপনাদের সাথে আপনার বাবার সম্পত্তির যৌথভাবে অংশীদার হবে। আপনি যেমন আপনার বাবার ওরসজাত সন্তান, তারাও আপনার বাবার ওরসজাত সন্তান। সেক্ষেত্রে আপনার বাবার সম্পত্তিতে আপনার যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি তাদেরও অধিকার রয়েছে। একই ঘটনাটি আপনার মায়ের একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ওই ক্ষেত্রে আপনার মায়ের অন্য সংসারের সন্তানরা হচ্ছে, আপনার বৈপিত্রেয় ভাই বোন। আপনার মায়ের সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রেও আপনার বৈপিত্রেয় ভাই বোনদের সাথে আপনি যৌথভাবে অংশীদার হবে।
দ্বিতীয় বিয়ে করা স্ত্রীর প্রথম স্বামীর সম্পত্তিতে অধিকার
জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। জীবন জীবনের গতিতে চলতে থাকে আর আমাদেরকে তাই সময়ের প্রয়োজনে তা চালিয়ে নিতে হয়। তেমনি স্বামী মারা গেলে স্ত্রী লোকটি বাকি জীবন একা থাকবেন তা কিন্তু কোথাও লিখিত নেই। তারপরও আমাদের সমাজে স্বামীর মৃত্যুর পর পুনরায় বিয়েকে খুব আড় চোখে দেখা হয়। খুব কম বয়সে বিধবা হলে পুনরায় বিয়ে করাটা এখন মোটামুটি একটু স্বাভাবিক হচ্ছে, যদি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) প্রথম বিয়ে করেন ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের মা খাদিজা (রাঃ) কে, যিনি কিনা ছিলেন বিধবা। যাই হোক, বিধবা নারী পুনরায় বিয়ে করলে তার প্রাক্তন স্বামীর সম্পত্তি থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে বঞ্চিত হবেন না। কেননা, প্রাক্তন স্বামী মারা যাওয়ার সময়ও বিধবা নারীর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল।
স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রীর এবং স্ত্রীর সম্পত্তিতে স্বামীর অধিকার
স্ত্রীর বর্তমানে স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকে বলা হয় বিধবা আর স্বামীর বর্তমানে স্ত্রী মারা গেলে স্বামীকে বলা হয় বিপত্নীক। এই বিধবা নারী এবং বিপত্নীক স্বামীর রয়েছে তাদের মৃত জীবনসঙ্গিনীর সম্পত্তিতে অধিকার। এই ক্ষেত্রে মনে রাখার সবচেয়ে সহজ শর্টকাট হচ্ছে, স্বামী স্ত্রীর তুলনায় দ্বিগুণ পেয়ে থাকে। সন্তান থাকলে স্ত্রী পায় ১/৮ অংশ, আর স্বামী পায় ১/৪ অংশ; অন্যদিকে সন্তান না থাকলে স্ত্রী পায় ১/৪ অংশ যেখানে স্বামী পায় ১/২ অংশ। একটাই শুধু ব্যতিক্রম যে, একজন নারী/ বিধবার একই সাথে দুইজন স্বামী থাকতে পারে না কিন্তু স্বামীর যেহেতু একই সাথে একাধিক স্ত্রী থাকতে পারে, তাই স্বামীর অধিকার কারো সাথে শেয়ার করা না লাগলেও স্ত্রী যদি একাধিক হয় তাহলে তাদের উক্ত ১/৮ বা ১/৪ অংশটি নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিতে হয়।
সম্পত্তি উইল করা বলতে কি বোঝায়?
আপনার মৃত্যুর পর পৃথিবীতে কি হবে না হবে তা তো আপনি জানবেন না, কিন্তু আপনি যদি আপনার সম্পত্তি কার কাছে যাবে তা জীবিত অবস্থায় নির্ধারণ করে যেতে চান তাহলে উইল করতে পারেন। যদিও মুসলিম আইন অনুসারে একজন ব্যক্তি তার সম্পত্তির সর্বোচ্চ এক তৃতীয়াংশ সম্পদ উইল করে যেতে পারেন। উইল তিনি চাইলে মৃত্যুর আগে বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন। একজন ব্যক্তি কাউকে উইল করে দেওয়ার পর উইল গ্রহীতা সেটা জানার পর যদি উইল দাতাকে হত্যা করে তাহলে উইল গ্রহীতা ঐ উইল মূলে কোন সম্পত্তি পাবে না। আবার, উইল গ্রহীতা যদি ধর্ম ত্যাগ করে তাহলেও তিনি সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। তাছাড়া উইল করার সময় বাকি ওয়ারিশদের তা জানিয়ে এবং সম্মতি নিয়েই করা শ্রেয়, কেননা না হলে পরবর্তীতে বাকি ওয়ারিশরা উক্ত উইলকে জালিয়াতি করে করা হয়েছে মর্মে মামলা করে বাতিল করার মত জটিলতা তৈরি করতে পারে।
ছেলে না থাকলে সম্পত্তি বন্টন প্রক্রিয়া
আমরা যত সম্পত্তি অর্জন করি না কেন তা আমরা কবরে যাওয়ার সময় নিয়ে যেতে পারি না৷ রেখে যেতে হয় নিজের উত্তরাধিকারদের জন্য। উত্তরাধিকার বলতে আমরা সবসময়ই ছেলে মেয়েকে বুঝে থাকি৷ কিন্তু, আল্লাহর ইচ্ছে অনুযায়ী যখন কোন দম্পতির ছেলে সন্তান হয় না বা হলেও মারা যায়, থাকে শুধু এক বা একাধিক মেয়ে সন্তান, তখন শুরু হয় দুশ্চিন্তা। কারন, মেয়ে সন্তান পুরো সম্পত্তির ভাগ পায় না, চলে যায় সম্পত্তি বাহিরে৷ এমতাবস্থায় শুধু মেয়ে থাকা দম্পতির দুশ্চিন্তা দূর করতেই এই ভিডিওটি।
➨ আইন সম্পর্কিত আর্টিকেল পড়তে ভিজিট করুনঃ https://article.legalfist.com ➨ জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপেঃ https://www.facebook.com/groups/legalfist ➨ প্রয়োজনে ই-মেইল করুনঃ tanbir@legalfist.comলা-ওয়ারিশ প্রথা বাতিল
একসময় দাদা-দাদি বা নানা-নানী জীবিত অবস্থায় যদি বাবা-মা মৃত্যুবরণ করে সেই ক্ষেত্রে নাতি-নাতনি হিসেবে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার প্রচলন ছিল। আমরা জানি যে, মৃত ওয়ারিশ কখনো সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হিসেবে ভাগ পায়না। কিন্তু এই লাওয়ারিশ প্রথা বাতিল এর মাধ্যমে একটি ব্যতিক্রম তৈরি করা হয়েছে আইয়ুব খানের আমলে। ১৯৬১ সালের Muslim Family Laws Ordinance/ মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে লা ওয়ারিশ প্রথা বাতিল করে নাতি নাতনীর অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ১৯৬১ সালের পর থেকে দাদা-দাদি বা নানা-নানী জীবিত অবস্থায় বাবা-মায়ের মৃত্যু হয়ে থাকলে নাতি-নাতনি সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে না; তাদের বাবা-মার জীবিত থাকলে যতটুকু সম্ভব ততটুকু সম্পত্তিই পাবে।
মৃত ভাইয়ের সম্পত্তিতে আপনার অধিকার
যদি কোনো ভাই অবিবাহিত অবস্থায় মারা যায় অথবা বিবাহিত হলেও তার যদি কোন ছেলে সন্তান না থাকে সে ক্ষেত্রে তার স্ত্রী এবং কন্যাদেরকে সম্পত্তির দেওয়ার পরেও কিছু অবশিষ্ট অংশ থেকে যায়। ওই সম্পত্তিতে তার ভাই বোনদের উত্তরাধিকারসূত্রে হক রয়েছে। সাধারণত ভাইবোনদের মধ্যে 2:1 অনুপাতে বন্টন করা হয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে ব্যক্তি অর্থাৎ যে ভাইয়ের মৃত্যুতে এই উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি বন্টন করা হচ্ছে এই ভাইয়ের আগে যেসব ভাই বোন মারা গিয়েছে তারা এই ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি পাবে না, তাদের ছেলে মেয়েরা যদি এক্ষেত্রে সম্পত্তির জন্য দাবি করে তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে যে, মৃত ওয়ারিশ কখনো উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পায় না; সেটা শুধুমাত্র লাওয়ারিশ প্রথা বাতিলই এর একমাত্র ব্যতিক্রম।
একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি বন্টন প্রক্রিয়া
একজন ব্যক্তির একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মধ্যে সম্পত্তি সমানভাবে বন্টন হবে। আমরা জানি যে, সন্তান থাকলে স্ত্রী পায় ৮ (আট) ভাগের ১ (এক) ভাগ আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পায় ৪ (চার) ভাগের ১ (এক) ভাগ। এখন এই ক্ষেত্রে যদি একের অধিক স্ত্রী হয়, তাহলে কিভাবে সম্পত্তি বণ্টন হবে?
-
সাধারণত একটি সন্তানের অভিভাবকত্ব মা বাবা দুইজন মিলে উপভোগ করে থাকে। বাবা মা যেকোনো একজনের মৃত্যুর পর বাকিজন সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে থাকেন...
-
জমির মালিক আপনি, দখল ও আপনার ছিল অথবা দখল ছিল না কিন্তু দলিল সূত্রে বা খতিয়ান সূত্রে উক্ত জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও আপনাকে দখলচ্যুত করা...
-
মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, মন্দির যেকোনো সামাজিক কার্যক্রম বা ধর্মীয় কার্যক্রমে কোন সম্পত্তি যদি দান করে দেওয়া হয়, তাহলে সেটিকে ওয়া...